স্মার্টফোনে ইন্টারনেট চালু করতেই রিচার্জ করা ডাটা প্যাক দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে? অনেক সময় আমরা খেয়াল করি না, কিন্তু ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে থাকা বিভিন্ন অ্যাপ আমাদের অজান্তেই প্রচুর মেগাবাইট শোষণ করে নেয়। সোশ্যাল মিডিয়া, গেমস কিংবা ব্যাকগ্রাউন্ড সিঙ্ক সার্ভিসগুলো আমরা অ্যাপ ব্যবহার না করলেও ডাটা খরচ করতেই থাকে। এই সমস্যার কারণে মেয়াদের আগেই ইন্টারনেট শেষ হয়ে যায়। তবে সুখবর হলো, খুব সহজেই ব্যাকগ্রাউন্ড ডাটা বন্ধ করার মাধ্যমে আপনি এই অহেতুক খরচ আটকে দিতে পারেন এবং আপনার ডাটা প্যাকের দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে পারেন।
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের মূল বৈশিষ্ট্য হলো মাল্টিটাস্কিং। আপনি যখন কোনো অ্যাপ ব্যবহার করছেন না, তখনও সেটি আপডেট, নোটিফিকেশন বা নতুন তথ্য সিঙ্ক করার জন্য ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, মেসেজিং অ্যাপগুলো নতুন বার্তা পাওয়ার জন্য সবসময় ব্যাকগ্রাউন্ড ডাটা ব্যবহার করে। এর ফলে একদিকে যেমন ব্যাটারির চার্জ দ্রুত কমে, অন্যদিকে মেগাবাইটও দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
আপনার অজান্তে অ্যাপের এই ব্যাকগ্রাউন্ড ডাটা গ্রহণ বন্ধ করতে পারলে মাসের শেষে ইন্টারনেটের বড় একটি খরচ বাঁচানো সম্ভব।
আপনার ফোনের প্রতিটি অ্যাপের জন্য আলাদাভাবে এই সেটিংস পরিবর্তন করা সম্ভব। নিচের সহজ প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করুন:
যদি প্রতিটি অ্যাপের সেটিংসে গিয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড ডাটা বন্ধ করা ঝামেলার মনে হয়, তবে অ্যান্ড্রয়েডের বিল্ট-ইন 'Data Saver' ফিচারটি ব্যবহার করতে পারেন। এই ফিচারটি চালু করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অধিকাংশ অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ড ডাটা ব্যবহার করা বন্ধ করে দেয়। তবে জরুরি মেসেজিং অ্যাপগুলোর জন্য ম্যানুয়ালি ব্যতিক্রম অনুমতি দিয়ে রাখা ভালো, যাতে নোটিফিকেশন মিস না হয়।
ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ড ডাটা বন্ধ রাখার এই কার্যকরী অভ্যাসটি গড়ে তুললে আপনার মোবাইল ডাটার নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ আপনার হাতেই থাকবে।
আপনার ফোনে কোন অ্যাপটি সবচেয়ে বেশি ডাটা খরচ করে? কমেন্ট বক্সে আমাদের জানান এবং আপনার প্রিয় কৌশলটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন!









